বৃহস্পতিবার সকালে রজ্যের একাধিক জায়গায় ইডির হানা। বালিপাচার কাণ্ডে কলকাতা, আসানসোল ও ঝাড়গ্রামের একাধিক জায়গায় হানা দিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। এদিন ঝাড়গ্রামের লালগড় ও গোপীবল্লভপুরে বালির খাদানে তল্লাশি চালায় ইডি। আসানসোলের এক বালি ব্যবসায়ীর বাড়িতেও হানা দেন তদন্তকারী অফিসাররা। পাশাপাশি কলকাতার বেন্টিঙ্ক স্ট্রিটের একটি অফিসেও তল্লাশি চালায় ইডি।
জানা গিয়েছে, আসানসোল দক্ষিণ থানার অন্তর্গত মুর্গাশোলে ৪১ নম্বর ওয়ার্ডের মনীশ বাগাড়িয়া নামে এক বালি ব্যবসায়ী বাড়িতে তল্লাশি চালায় ইডি। অভিযোগ, ওই বালি ব্যবসায়ী বিভিন্ন জেলায় বালির ঘাট পরিচালনা ও কোটি কোটি টাকার লেনদেন করতেন। সরকারি বালিঘাটে আর্থিক তছরুপ ও অবৈধভাবে মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। এর পাশাপাশি গোপীবল্লভপুরে জিডি মাইনিংয়ের অফিসে তল্লাশি চালায় ইডি। লালগড়ে বালি ব্যবসায়ী সৌরভ রায়ের বালি খাদানেও হানা দেয় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকেরা। অন্যদিকে, কলকাতার বেন্টিঙ্ক স্ট্রিটেও হানা দেয় তদন্তকারীরা।
অভিযোগ, অবৈধভাবে বালি তুলে সেই টাকা আত্মসাত করেছেন একাধিক বালি ব্যবসায়ী। ইডির দাবি, বালি তোলার জন্য যে লরিকে অনুমতি দেওয়া হচ্ছে, সেই গাড়ির নম্বর অন্য গাড়িতেও ব্যবহার করে অবৈধভাবে বালি পাচার চলতো। একাধিক নম্বর ব্যবহার হত বলেই অভিযোগ। প্রশাসনকে কার্যত বুড়ো আঙুল এভাবেই দিনের পর দিন চলতো বালি পাচার।









