দার্জিলিংয়ে প্রবল বৃষ্টিপাত ও ধসের জেরে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৭। এখনও পর্যন্ত ঘরছাড়া বহু বাসিন্দা। শনিবার মাত্র এক রাতের ভারী বৃষ্টিতে বিপর্যয়ের কবলে পড়ে দার্জিলিং, কালিম্পং সহ উত্তরবঙ্গের বিস্তীর্ণ এলাকা।
প্রবল বৃষ্টিতে আপার দুধিয়া বা ডাম্ফেডার এলাকায় চার-পাঁচটি বাড়ি ধসে গিয়ে জলের তলায় চলে গিয়েছে। বেশ কিছু হোমস্টেও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। দুধিয়া নদীর পাশে থাকা বিএসএফের ক্যাম্পও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।শনিবার রাতেই বালাসন নদীর উপর দুধিয়ার লোহার সেতুর একাংশ বৃষ্টিতে ভেঙে পড়ে। এর ফলে শিলিগুড়ি এবং মিরিকের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। রবিবার সকালে প্রশাসনের তরফে জানানো হয়, সুকিয়াপোখরিতে ৭, মিরিক অঞ্চলে ৯ জন ও বিজনবাড়ি অঞ্চলে এক জনের মৃত্যু হয়েছে।
ঘটনায় প্রজাতান্ত্রিক মোর্চার শীর্ষ নেতা অনীত থাপার জানান, কেবল মিরিকেই ১৫ জনের মৃত্যুর খবর পেয়েছেন তিনি। অন্যান্য জায়গা থেকেও নানা দুর্ঘটনার খবর পাওয়া গিয়েছে। তিনি আরও জানান, ইঞ্জিনিয়ার সহ মিরিকের এসডিও, বিডিও, সাংসদ, পুরসভার চেয়ারম্যান সকলেই কাজে নামার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এর পাশাপাশি সকলকে সতর্ক থাকাও বার্তা দিয়েছেন তিনি।
শনিবার বিকেল থেকে ভারী বৃষ্টিপাত শুরু হয়েছে উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে। বিশেষ করে দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি ও কোচবিহারে টানা বৃষ্টি হয়েছে। কয়েকঘণ্টার বৃষ্টির জেরে প্রায় জলমগ্ন কোচবিহার। কোচবিহার মিনি বাস স্ট্যান্ড সংলগ্ন কলাবাগান, হাসপাতাল চৌপটি, কদমতলা, সুনীতি রোড ও বিশ্বসিংহ রোডের কোথাও হাঁটু সমান জল, আবার কোথাও কোমরসমান জল। বাড়িগুলিতেও জল ঢুকতে শুরু করেছে। উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুরেও ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। এর পাশাপাশি মালদহের বেশ কিছু এলাকায় বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। মহানন্দা নদীরও জলস্তর বৃদ্ধির আশঙ্কা করা হচ্ছে।









