২০২৫ সালকে প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে সংস্কারের বছর (Year of Reforms) ঘোষণা করে সশস্ত্র বাহিনীকে নতুন দিশা দেখাতে চাইলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সোমবার কলকাতায় আয়োজিত কম্বাইন্ড কমান্ডার্স’ কনফারেন্সে তিনি স্পষ্ট বার্তা দেন যে দেশের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে ভবিষ্যতের জন্য আরও শক্তিশালী করতে হলে এখনই দ্রুত এবং কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। প্রধানমন্ত্রী জানান, আধুনিক যুগে যুদ্ধ আর শুধুমাত্র সীমান্তে গুলি চালনার মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই, বরং এর পরিধি অনেক বিস্তৃত হয়েছে এবং এখন তা প্রযুক্তি, কৌশল, সাইবার স্পেস, মহাকাশ এবং উদ্ভাবনের ওপর নির্ভর করছে। তাই ভারতের সশস্ত্র বাহিনীকে যৌথ কার্যক্ষমতা বা জয়েন্টনেস আরও সুদৃঢ় করতে হবে, যাতে সেনা, নৌ ও বায়ুসেনা একসঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করে যে কোনও পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে পারে। তিনি জোর দিয়ে বলেন যে আত্মনির্ভর ভারত উদ্যোগের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দেশীয় প্রতিরক্ষা শিল্পকে শক্তিশালী করা এখন সময়ের দাবি এবং এর জন্য প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম তৈরিতে দেশীয় প্রযুক্তি, গবেষণা এবং উদ্ভাবনকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। মোদীর মতে, ভারতকে এমন এক সামরিক শক্তি হিসেবে গড়ে তুলতে হবে, যা শুধু আঞ্চলিক নয়, বৈশ্বিক পর্যায়ে নিরাপত্তা এবং স্থিতিশীলতার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে। এজন্য আধুনিকীকরণ, উন্নত প্রশিক্ষণ, প্রযুক্তি-নির্ভর যুদ্ধ প্রস্তুতি এবং স্বয়ংসম্পূর্ণ প্রতিরক্ষা উৎপাদন ব্যবস্থা গড়ে তোলার ওপর জোর দেওয়া হবে। প্রধানমন্ত্রী বিশ্বাস প্রকাশ করেন যে ২০২৫ সাল হবে এমন এক মোড় পরিবর্তনের বছর, যেখানে ভারতের প্রতিরক্ষা খাত নতুন উচ্চতায় পৌঁছবে এবং দেশকে আরও আত্মবিশ্বাসী ও সক্ষম করে তুলবে ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হওয়ার জন্য।









