শনিবার মণিপুরে পা রাখলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। চূড়াচাঁদপুরের জনসভা থেকে শান্তির বার্তা দেন তিনি।পাশাপাশি কোটি টাকারও বেশি মূল্যের একাধিক উন্নয়ন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন তিনি।
২০২৩ সাল থেকে কুকি ও মেইতি জনগোষ্ঠীর মধ্যে সংঘাত চলছে। যা নিয়ে বারবার বিরোধীদের কটাক্ষের মুখে পড়েন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। অবশেষে এদিন দীর্ঘ বিতর্কের পর ‘অশান্ত’ মণিপুরে প্রথমবারের মতো পা রাখলেন প্রধানমন্ত্রী।এদিন চূড়াচাঁদপুরের সভা থেকে নরেন্দ্র মোদি বলেন, “আশা ও বিশ্বাসের নতুন সকাল শুরু হয়েছে মণিপুরে। উন্নয়নের জন্য শান্তি প্রয়োজন। গত ১১ বছরে একাধিক সংঘাত হয়েছে এখানে। তবে মানুষ শান্তির পথই বেছেছেন।” এছাড়াও প্রধানমন্ত্রী দাবি করেন, সংঘাত থামাতেই লাগাতার কাজ করছে সরকার। কেন্দ্রীয় সরকারের তরফ থেকে রাজ্যের বিভিন্ন গোষ্ঠীর সঙ্গে সমঝোতা করানোর জন্য আলোচনা চলছে। ভারত সরকার মণিপুর বাসীর পাশে আছে। মণিপুরকে স্বাভাবিক করতে সরকার সবরকম চেষ্টা করছে।যারা ঘরছাড়া হয়েছেন তাঁদের ঘর দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি আক্রান্তদের বিশেষ প্যাকেজ দেওয়া হচ্ছে।
এছাড়াও প্রধানমন্ত্রী বলেন, ” আমরা শত শত গ্রামে সড়ক যোগাযোগ সম্প্রসারণ করেছি, যার ফলে পাহাড়ি ও উপজাতি সম্প্রদায় উপকৃত হয়েছে।সাম্প্রতিক বছরগুলিতে জাতীয় সড়কে ৩,৭০০ কোটি টাকা ব্যয় করা হয়েছে, ৮,৭০০ কোটি টাকার নতুন প্রকল্প চলমান রয়েছে।”
প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা করেছেন যে ২২,০০০ কোটি টাকা বিনিয়োগের জিরিবাম-ইম্ফল রেলপথ শীঘ্রই মণিপুরের রাজধানীকে জাতীয় রেল নেটওয়ার্কের সাথে সংযুক্ত করবে। তিনি ৪০০ কোটি টাকার ইম্ফল বিমানবন্দর এবং বিমান যোগাযোগ বৃদ্ধির জন্য হেলিকপ্টার পরিষেবা চালু করার কথাও তুলে ধরেন, যা যুবসমাজের জন্য নতুন সুযোগ তৈরি করবে।









