ছাত্রীর অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনায় ফের নতুন করে চর্চায় যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়। বৃহস্পতিবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের চার নম্বর গেটের কাছের একটি ঝিলের পারে ওই ছাত্রীর অচৈতন্য দেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। তাঁকে উদ্ধার করে একটি বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। সমগ্র ঘটনায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে গোটা বিশ্ববিদ্যালয় চত্বর জুড়ে।জানা গিয়েছে, মৃতা ছাত্রীর নাম অনামিকা মণ্ডল। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়েরই ইংরাজি বিভাগের তৃতীয় বর্ষের পড়ুয়া সে।
সূত্রের খবর, পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদে মৃতার বন্ধুরা জানান, বৃহস্পতিবার ক্যাম্পাসে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান চলছিল। রাতের দিকে ঝিলপাড়ে বসে মদ্যপান করছিলেন তাঁরা। মদ্যপান করেছিলেন মৃতা ছাত্রী অনামিকা মণ্ডলও।এরপরই সাঁতার না জানা সত্ত্বেও ওই ঝিলে নামেন অনামিকা।বন্ধুরা তাঁকে ঝিলে নামতে বারণও করেছিলেন বলে জানা যায়।তবে, ঝিলে তেমন জল না থাকায় বিপদের আশঙ্কা করেনি কেউ।কিন্তু হঠাৎই তলিয়ে যেতে থাকেন ওই ছাত্রী। বন্ধুরা বাঁচানোর চেষ্টা করলেও শেষ রক্ষা হয়নি। যদিও ঘটনার সত্যতা নিয়ে দানা বাঁধছে সন্দেহ।
মৃতার বন্ধুরা দাবি করেছেন, তাঁরাই অনামিকাকে জল থেকে তুলে আনেন।কিন্তু ততক্ষণে অচৈতন্য হয়ে পড়েছিলেন তিনি। এরপর খবর দেওয়া হয় নিরাপত্তারক্ষীদের। যাদবপুরেরই একটি বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা অনামিকাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।ঘটনায় উঠছে নানান প্রশ্ন, মৃতার বন্ধুদের দাবি কতটা সত্যি? অনামিকা কি সত্যিই জলে নেমেছিলেন?দুর্ঘটনা নাকি বচসার জেরে তাঁকে জলে ঠেলে ফেলা হয়েছিল?ঘটনায় বাড়ছে রহস্যও। ঘটনায় অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা করা হয়েছে।তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।









