৬ দিনের ইডি হেফাজত শেষ হওয়ার পর আদালতে তোলা হল তৃণমূল বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহা। আদালত কক্ষে ঢুকে স্ত্রী ও নাবালক ছেলেকে দেখে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন জীবনকৃষ্ণ সাহা। ছেলেকে দেখে ছেলের গাল টিপে আদরও করেন তিনি।
ইডির হেফাজত শেষের পর শনিবার ব্যাঙ্কশাল আদালতে তোলা হয় তৃণমূল বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহাকে। এদিন সিজিও কমপ্লেক্স থেকে বেরনোর সময় তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা মোবাইল ছুড়ে ফেলার অভিযোগ খারিজ করেন জীবনকৃষ্ণ। আদালতে স্ত্রী ও ছেলেকে দেখে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন তিনি। জীবনকৃষ্ণ সাহাকে ১৪ দিনের হেফাজতে নেওয়ার দাবি করেছেন ইডির আইনজীবী।
আদালতে ইডির দাবি, শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতির টাকা দিয়ে আলুর বন্ড কিনেছিলেন জীবনকৃষ্ণ সাহা। তবে সেই দাবি খারিজ করে দেন তৃণমূল বিধায়ক। তিনি দাবি করেছেন পুরো টাকাই তাঁর ব্যবসার। কোনওরকম দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত নন তিনি। ইডি এবং জীবনকৃষ্ণের আইনজীবীর সওয়াল জবাব শেষে ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেন বিচারক। তার বিরোধিতা করেন জীবনকৃষ্ণের আইনজীবী জাকির হোসেন। হেফাজতের মেয়াদ কিছুটা কমিয়ে দেওয়ার দাবি জানান তিনি। যদিও সেই দাবি খারিজ করে দেয় আদালত। ফলে আগামী ১২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত জেলেই থাকতে হবে জীবনকৃষ্ণ সাহাকে।









