একটি হাঁড়হিম করা ঘটনা ঘটেছে সল্টলেকের সিজে ব্লকের ১৪০ নম্বর বাড়িতে, যা একটি অভিজাত ও শান্তিপূর্ণ আবাসন হিসেবেই পরিচিত। এই বাড়ির কেয়ারটেকার পদে বহু বছর ধরে কর্মরত ছিলেন সরস্বতী মুর্মু, যিনি মূলত মুর্শিদাবাদের বাসিন্দা হলেও কাজের সূত্রে সল্টলেকেই বসবাস করতেন। তাঁর ছেলে মুন্না তাঁর সঙ্গে থাকত না, তবে মাঝেমধ্যে মায়ের সঙ্গে দেখা করতে আসত। জানা গিয়েছে, রবিবার মুন্না মায়ের কাছে এসেছিল, এবং সোমবার সকালে সে নেশার জন্য মায়ের কাছে একশো টাকা চায়। কিন্তু সরস্বতী মুর্মু ছেলেকে কোনওভাবেই টাকা দিতে রাজি হননি। মা-ছেলের মধ্যে সেই নিয়ে বচসা শুরু হয়। অনেক অনুনয়-বিনয়, তর্ক-বিতর্কের পরও যখন মুন্না টাকা পায়নি, তখন সে চরম সিদ্ধান্ত নেয়। রাগ ও নেশার ঘোরে সে নিজের জন্মদাত্রী মাকে গলায় দড়ির ফাঁস দিয়ে হত্যা করে। এমনকি এই পাশবিক ঘটনার পরেও তার মধ্যে কোনও অনুতাপ দেখা যায়নি; সে ঠাণ্ডা মাথায় বাড়ি থেকে পালিয়ে যায়। এই নির্মম ঘটনার জেরে অভিজাত এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে, এবং পুলিশের পক্ষ থেকে তদন্ত শুরু হয়। প্রতিবেশীরা কেউই এমন ভয়াবহ ঘটনার কথা কল্পনাও করতে পারেননি, কারণ সরস্বতী মুর্মুকে সকলে এক নিরীহ ও পরিশ্রমী নারী হিসেবেই চিনতেন।









