২০২২ সালের অন্তত দেড় লক্ষ টেট পরীক্ষার্থীর ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁস হয়ে গিয়েছে একটি অচেনা ওয়েবসাইটে। অন্তত তেমনই অভিযোগ। তা প্রকাশ্যে আসতেই পরীক্ষার্থীদের দাবি, নিশ্চয়ই বড়সড় জালিয়াতি হয়েছে। অথচ, বিষয়টি এখনও স্পষ্টই নয় প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের কাছে! পর্ষদ সূত্রের বক্তব্য, এখনও তথ্য সংগ্রহের কাজ চলছে। অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে পদক্ষেপ করা হবে।
চাকরিপ্রার্থীদের দাবি, avinandaneservices.com নামের একটি ওয়েবসাইটে রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিলেই মিলছে টেট সার্টিফিকেট। পর্ষদের কাছে অবশ্য খবরটাই নতুন।
প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রকাশিত হয়েছিল ২০২২ সালের টেট পরীক্ষার ফলাফল। পরীক্ষার্থীরা পর্ষদের সরকারি ওয়েবসাইট থেকেই ডাউনলোড করেছিলেন তাঁদের সার্টিফিকেট। তবে পাশের পূর্ণ তালিকা তখন প্রকাশিত হয়নি। চাকরিপ্রার্থীদের অভিযোগ, রবিবার সমাজমাধ্যমে কারও প্রোফাইলে তাঁরা দেখতে পান সেই বছরের টেট উত্তীর্ণদের নামের তালিকা। আর তার পর থেকেই বাড়ছে আশঙ্কা, পরীক্ষার ফলাফল, শংসাপত্রের মতো সংবেদনশীল তথ্য কি তবে হাতবদল হয়ে গিয়েছে? শিক্ষা পর্ষদের অনভিজ্ঞতা ও উদাসীনতা গোটা ঘটনাকে আরও ধোঁয়াশাচ্ছন্ন করে তুলছে। যেখানে পরীক্ষার্থীরা ভবিষ্যতের চাকরির স্বপ্ন বুকে নিয়ে দিন গুনছেন, সেখানে তাঁদের ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁস হওয়া নিঃসন্দেহে উদ্বেগজনক।









