কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্বর্তী উপাচার্য শান্তা দত্ত স্থায়ী উপাচার্য নিয়োগের ইন্টারভিউ পর্বে ডাক না পাওয়ায় ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে শিক্ষামহলে। অভিযোগ উঠেছে, তিনি যথাযথভাবে যোগ্যতা সম্পন্ন হওয়া সত্ত্বেও তাঁকে ইন্টারভিউয়ের জন্য ডাকা হয়নি, যা একপ্রকার অবিচার এবং পক্ষপাতিত্বের নজির বলেই অনেকে মনে করছেন। শান্তা দত্ত নিজেও এই সিদ্ধান্তে অসন্তুষ্ট হয়ে বিষয়টি নিয়ে উচ্চতম আদালতের দ্বারস্থ হন। তিনি সুপ্রিম কোর্টে মামলা দায়ের করেন এই দাবি তুলে যে, তাঁর প্রাপ্ত শিক্ষা, প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্বর্তী উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা থাকা সত্ত্বেও তাঁকে ইন্টারভিউর সুযোগ না দেওয়া সম্পূর্ণ অন্যায্য ও পক্ষপাতদুষ্ট সিদ্ধান্ত। তবে সুপ্রিম কোর্ট সেই মামলা গ্রহণ না করায় তাঁর আইনি লড়াই আপাতত থেমে গেল বলেই খবর। আদালতের এই সিদ্ধান্তে হতাশা প্রকাশ করেছেন শান্তা দত্ত ও তাঁর সমর্থকেরা। তাঁরা মনে করছেন, এই ঘটনা উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে স্বচ্ছতা ও ন্যায়ের প্রশ্নে এক গুরত্বপূর্ণ নজির তৈরি করল, যেখানে যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও শুধুমাত্র প্রশাসনিক বা রাজনৈতিক কারণে কাউকে অবহেলা করা হতে পারে। বিষয়টি নিয়ে রাজ্যজুড়ে শিক্ষাঙ্গনে আলোচনা তুঙ্গে উঠেছে এবং অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন, এক অভিজ্ঞ ও যোগ্য প্রশাসকের সঙ্গে এমন আচরণ আদৌ কতটা যুক্তিসঙ্গত।









