লেজেন্ডারি তথা ভার্সেটাইল গায়ক তথা কিশোর কুমারের ৯৬ তম জন্ম বার্ষিকী আজ।কিশোর কুমারের গান প্রজন্মের পর প্রজন্মকে উদ্বুদ্ধ করে চলেছে ৷তিনি শুধু স্বনামধন্য সঙ্গীত শিল্পীই ছিলেন না। তিনি ছিলেন গীতিকার, সুরকার,রেকর্ড প্রযোজক,অভিনেতা ও চলচ্চিত্র পরিচালক। ‘হাফ টিকিট’,’চলতি কা নাম গাড়ি’ ও ‘পড়োসান’,-এর মতো কালজয়ী চলচ্চিত্রে তাঁর অভিনয় আজও দর্শকের হৃদয়ে গেঁথে আছে।
পাকাপাকিভাবে গানের জগতে নিজেকে যুক্ত করে ফেলার পর মুনিমজি (১৯৬২), গাইড (১৯৬৫) এবং জুয়েল থিফ (১৯৬৭) সিনেমায় তার গাওয়া গান তুমুল জনপ্রিয়তা লাভ করে।১৯৬৯ সালে শক্তি সামন্ত’র ‘আরাধনা’ শুভমুক্তি পায়। এই ছবির নায়ক ছিলেন রাজেশ খান্না। এর পর থেকেই কিশোর কুমার গায়ক হিসাবে ব্যাপক সাফল্যতা লাভ করতে শুরু করেন। সে সময়ে বলিউডে প্রতিষ্ঠিত সব নায়ক যেমন রাজেশ খান্না, শশী কাপুর, ধর্মেন্দ্র, রণধীর কাপুর, সঞ্জীব কুমার এবং দেব আনন্দের জন্য তিনি গান গেয়েছেন। রাহুল দেব বর্মনের সুরে তিনি বোম্বে টু গোয়া সিনেমায় অমিতাভ বচ্চনের জন্য গান করেন। ১৯৭৩ সালে ‘অভিমান’ ছবির জন্য তাঁর কণ্ঠে গানগুলিও জনপ্রিয় হয়।
অজস্র বাংলা গানও গেয়েছেন কিশোর কুমার।উত্তম কুমারের ‘রাজকুমারী’, ‘অমানুষ’, ‘আনন্দ আশ্রম’ এবং ‘ওগো বধূ সুন্দরী’ ছবিতে গেয়েছেন কিশোর। তিনি ১৯৮৭ সালে প্রয়াত হলেও তিনি তার সৃষ্টির মাধ্যমে চিরকাল সঙ্গীত প্রেমীদের মাঝে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবেন।









