কানাইপুরে তৃণমূল নেতা পিন্টু চক্রবর্তী ওরফে মুন্না খুনের ঘটনায় চতুর্থ অভিযুক্তকেও গ্রেফতার করতে সফল হল পুলিশ। পুলিশের নিরলস প্রচেষ্টার ফলস্বরূপ, ছ’দিনের মধ্যেই একের পর এক অভিযুক্তকে চিহ্নিত করে ধরা হয়েছে। সর্বশেষ অভিযুক্ত ভোলানাথ দাস ওরফে ‘বাঘা’-কে বাঁকুড়া থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ, যা তদন্তের গতিকে আরও একধাপ এগিয়ে নিয়ে গেল। চন্দননগর পুলিশ কমিশনারেটের অধীনে থাকা তদন্তকারী দলটি অত্যন্ত সক্রিয়ভাবে এই মামলার তদন্তে নেমে পড়ে এবং টানা অনুসন্ধান চালিয়ে একে একে চারজন অভিযুক্তকেই আইনের আওতায় আনে। পিন্টু চক্রবর্তীর খুনের ঘটনা ঘিরে কানাইপুর ও আশেপাশের এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছিল, যা রাজনৈতিক মহলেও তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছিল। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, খুনের পেছনে ব্যক্তিগত শত্রুতা ও রাজনৈতিক প্রতিহিংসা—এই দুটো দিকই গুরুত্ব সহকারে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অভিযুক্তদের জেরা করে হত্যার কারণ, পরিকল্পনা, ও কারা কারা পরোক্ষভাবে জড়িত থাকতে পারে, সে সম্পর্কেও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উঠে আসছে বলে খবর। পুলিশ কমিশনারেটের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, অভিযুক্তদের রিমান্ডে নিয়ে আরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে এবং এই মামলার সঙ্গে যুক্ত প্রত্যেককেই আইনের আওতায় আনা হবে। দ্রুততার সঙ্গে এই চাঞ্চল্যকর খুনের তদন্ত ও গ্রেফতার অভিযানে চন্দননগর পুলিশ কমিশনারেট যে দক্ষতার পরিচয় দিয়েছে, তা নিঃসন্দেহে এক বড়সড় সাফল্য হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছে।









