বেঙ্গালুরু থেকে গ্রেপ্তার হওয়া বছর ৩০-এর সামা পারভিন নামের এক মহিলাকে ঘিরে দেশজুড়ে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। জানা গেছে, সে আল কায়দার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত এবং দেশের অভ্যন্তরেই সন্ত্রাসের জাল বিস্তার করার চক্রান্তে লিপ্ত ছিল। জাতীয় তদন্ত সংস্থা (NIA) এবং অন্যান্য নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর যৌথ অভিযানে এই গ্রেপ্তারি হয়, যা স্পষ্ট ইঙ্গিত দিচ্ছে যে জঙ্গিগোষ্ঠীগুলো এখন আর সীমান্তে সীমাবদ্ধ নেই, তারা দেশের ভিতরেও সক্রিয়ভাবে নিজেদের শাখা বিস্তার করছে। সামা পারভিন শুধুমাত্র জঙ্গি কার্যকলাপে যুক্তই ছিলেন না, বরং সে অন্যদেরও উগ্রবাদী ভাবধারার দিকে প্রলুব্ধ করছিল বলে গোয়েন্দা সূত্রে জানা গেছে। বিশেষ করে সোশ্যাল মিডিয়া এবং এনক্রিপ্টেড চ্যাট অ্যাপ ব্যবহার করে সে যুব সমাজের কিছু অংশকে জঙ্গি মতাদর্শে আকৃষ্ট করার চেষ্টা করছিল। বেঙ্গালুরুর মতো তথ্যপ্রযুক্তি নগরীতে এমন সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপ দেশের নিরাপত্তার ক্ষেত্রে এক বড় হুমকি হিসেবেই বিবেচিত হচ্ছে। এই ঘটনায় প্রশ্ন উঠছে—দেশের ভিতরেই কীভাবে গড়ে উঠছে সন্ত্রাসের জাল? কে বা কারা এদের মদত দিচ্ছে? এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন, আমাদের গোয়েন্দা সংস্থাগুলি কতটা প্রস্তুত এই ঘরোয়া সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলার জন্য? সামা পারভিনের গ্রেপ্তারির পর ইতিমধ্যে তদন্ত শুরু হয়েছে, এবং তার সঙ্গে যুক্ত আরও কেউ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এই ঘটনা নতুন করে মনে করিয়ে দিচ্ছে যে, দেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী এবং সচেতন করা এখন সময়ের দাবি।









